সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

গরুর মাংস দিয়ে কাঁচা কাঁঠাল

বৃষ্টির দিনে গরুর মাংস ভুনা আর খিচুরী সবার কাছেই অনেক প্রিয় খাবার। গরুর মাংস কাবাব থেকে শুরু করে অনেক ভাবে রান্না করে সব সময় খাওয়া যায়। কিন্তু গরুর মাংস আর কাঁচা কাঁঠাল রান্না শুধু কাঁঠালের মৌসুমে খাওয়া হয়। তাই যখনই হাতের কাছে কাঁচা কাঁঠাল পাবেন ঠিক তখনই এই রেসিপিটি হাতে নিবেন পরিবারের সবার জন্য। উপকরনঃ ছোট কাঁচা কাঁঠাল অর্ধেক বিচিসহ, ১ কেজি গরুর মাংস, আদা বাটা ১ চা-চামচ, পেয়াজ বাটা আধা কাপ, পেয়াজ কুচি ২টি, রসুনে কোয়া ৫ টি, রসুন বাটা ২ চা-চামচ, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, গরুর মাংসের মসলা পরিমান মত, গোটা গোটা দারচিনি, লবঙ্গ, এলাচ ৩-৪ টা করে, তেজপাতা, লবণ পরিমান মত, হলুদের গুড়া ২ চা- চামচ, মরিচের গুড়া ৪ চা- চামচ, কাঁচা মরিচের ফালি ৫-৬ টি ও পরিমান মত সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ প্রথমে কাঁঠালের উপরের খোসা ও বিচির খোসা ফেলে দিয়ে মাঝারি সাইজের টুকরা করুন। টুকরা করা কাঁঠাল ভাল করে ধুয়ে ২-৩ মিনিট গরম পানিতে ভাপ দিন। হালকা সিদ্ধ বা ভাপ দেওয়া হয়ে গেলে গরম পানি থেকে কাঁঠাল উঠিয়ে অন্য পাত্রে রাখুন। এবার অন্য একটি পাত্রে পরিমান মত সয়াবিনের তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি, রসুনের কোয়া, দারচিনি, লবঙ্গ, এলাচ ও তে্জপাতা দিয়ে হালকা বাদামী রঙ এ ভাজুন। তারপর কাঁচা মরিচের ফালি বাদে উপরের সব মসলা ও পানি দিয়ে প্রায় ৫ মিনিট কষিয়ে নিন। যখন মসলা থেকে তেল উপরের দিকে উঠে যাবে তখন মসলার মধ্যে গরুর মাংস ছেড়ে দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। ৫ মিনিট পর পরিমান মত পানি দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে মাংস সিদ্ধ করে নিন। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে চুলার আঁচ কমিয়ে ভাপ দেওয়া কাঠাল দিয়ে ৫ মিনিটের মত আঁচ দিন। তারপর চুলা থেকে নামানোর ১ মিনিট আগে কাঁচা মরিচ ফালি ও ভাজা জিরার গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। এবার গরম গরম কাঁচা কাঠাল দিয়ে গরুর মাংস রান্না ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন।
এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

গরু, কাঁচা-কাঁঠাল, মাংস, রুটি, ভাত, বাংলা-খাবার, রান্নবান্না, দেশী-রান্না