সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

10-foods-rich-magnesium.jpg

পুষ্টিগুণ ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্যসমূহের তালিকা

দেহে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যা যেমন, নিদ্রাহীনতা, উচ্চ রক্তচাপ, মাংসপেশীর খিঁচুনী, মাইগ্রেন, মানসিক উদ্বিগ্নতা, অস্টিওপোরোসিস এবং হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

ম্যাগনেসিয়াম সুস্বাস্হ্য রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। নিজের এবং পরিবারের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় তাই ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য রাখা উচিত। 

দেহে ম্যাগনেসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা:

একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক ৩০০-৪০০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়ামের প্রয়োজন হয়। ম্যাগনেসিয়াম হাড়ে এবং দাঁতে বেশি পাওয়া যায়। দেহের বিভিন্ন কার্যাবলী যেমন, রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনের হার স্বাভাবিক রাখায়, বিপাকীয় হার রক্ষায়, হাড় মজবুত করণে, দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্হায়, রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে এবং প্রোটিন উৎপাদনে ম্যাগনেসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।

ম্যাগনেসিয়ামের অভাবজনিত সমস্যা:
দেহে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যা যেমন, নিদ্রাহীনতা, উচ্চ রক্তচাপ, মাংসপেশীর খিঁচুনী, মাইগ্রেন, মানসিক উদ্বিগ্নতা, অস্টিওপোরোসিস এবং হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।
 
ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য:
নিম্নলিখিত খাদ্যগুলো দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যদি ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি জনিত সমস্যাগুলোর লক্ষণ আপনার মধ্যে দেখা দেয়। 

সবুজ পাতাযুক্ত শাকসব্জি: পালংশাক, ব্রকোলি, লেটুস। এগুলোতে উচ্চ মাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম আছে।

খাদ্যশস্য: বার্লি, কর্নমিল, যবের ভুষি বা ওট ব্র্যান, গমের রুটি, সাদা ভাত।

বাদাম: কাজুবাদাম, আমন্ড, চীনাবাদাম- এগুলো ম্যাগনেসিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস।

শিমজাতীয় সব্জি: শিম, শিমের বিচি, বরবটি, মটরশুঁটি।

মাছ: প্রায় সবধরণের মাছেই উচ্চমাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম আছে।

ফল: কিছু কিছু ফল যেমন কলা, অ্যাভোকেডো- এগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম আছে। এছাড়া কুমড়াও ম্যাগনেসিয়ামের অন্যতম প্রধান উৎস।

টমেটো পেস্ট: খাদ্যতালিকায় ম্যাগনেসিয়াম অন্তর্ভুক্ত করার অন্যতম সহজ উপায় হচ্ছে টমেটো পেস্ট দিয়ে সব্জি বা মাংস রান্না করা।

মসলা: বিভিন্ন প্রকারের মসলা যেমন পাপরিকা, পুদিনা, পার্সলে পাতা এবং লেমন গ্রাসে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম আছে। এগুলো শুধু ম্যাগনেসিয়ামের চাহিদাই পূরণ করে না, বরং খাবারে এক ভিন্ন মাত্রাও যোগ করে।

দুগ্ধজাত পণ্য: প্রায় সকল প্রকার দুগ্ধজাত পণ্যেই প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম আছে। তবে পাস্তুরিত দই এবং পাস্তুরিত দুধ- এসবের মধ্যে সেরা।

পানীয়: যেমন কোকো এবং কফি। এগুলোও ম্যাগনেসিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

ম্যগনেশিয়াম, খাদ্য, সবুজ-শাক, মাছ, ডাল, শিমের-বিচি, পানীয়