সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

পুষ্টিকর মেয়োনেজ ভেজিটেবল সালাদ

সালাদ খেতে পছন্দ অনেকেই করে। অনেকেই অনেক ভাবে সালাদ তৈরি করেন। আবার আমাদের মাঝে এমন অনেকেই যারা কিভাবে সালাদ তৈরি করবেন জানেন না।আমরা সাধারণত শশা, টমেটো, গাজ...

ছোলা বুটের রঙিন সালাদ

রোজার সময় ছোলা বুট ভুনা খাওয়া ছাড়া আমাদের মাঝে অনেকেই ইফতারের কথা ভাবতে পারেন না। কিন্তু দেখা যায় অনেক তেল ও মশলা দিয়ে রান্না করা ছোলা খেলে সেটার একদিক থেক...

ইফতারে স্পেশাল দই ফ্রুটস সালাদ

রমজানের ইফতারে আমারা ভাজাভুজি বেশি খেয়ে থাকি যা শরীরের জন্য একবারেই ভাল নয়। তাই আমার মতে বেশি বেশি পানি, শরবত ও নানা রকম ফল ও ফলের স...

কিমার সালাদ

উপকরনঃ বিফ কিমা, রসুন কুচি, আদা কুচি, লবণ, গরম মসলা পাউডার, চিংড়ী কুচি, লবণ, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনে পাতা কুচি, লেবুর খোসা, লেবুর রস, আধা পাকা কলা ও তেল সব কিছই নিতে হবে পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে কড়াইয়ে সামান্য তেল দিয়ে তার মধ্যে বিফ কিমা ছেড়ে একটু নেড়ে চেড়ে নিন। তারপর গ্রেট করা রসুন, গ্রেট করা আদা, গরম মসলা পাউডার, লবণ ও কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে নেড়ে চেড়ে ভাঁজা ভাঁজা করে চিংড়ী কুচি দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নেড়ে পরিবেশন পাত্রে ঢেলে রাখুন। এবার আধা পাকা কলার টুকরা, গ্রেট করা লেবুর খোসা, লেবুর রস ও ধনে পাতা কুচি এবং একটু অলিভ ওয়েল দিয়ে নেড়ে টক-মি...

মূলা ও গাজরের সালাদ

মূলা শীতের সবজি হলেও গাজর কিন্তু সারা বছরই বাজারে পাওয়া যায়। মূলা ও গাজর দিয়ে অনেক আইটেমের তরকারি রান্না করে খাওয়া যায়। কিন্তু এই দুইটা সবজি একসাথে করে কি কখনো সালাদ করে খেয়েছেন। যদি না খেয়ে থাকেন তাহলে এখনি এই মজাদার আইটেমটি বানিয়ে পরিবারে পরিবেশন করুন। উপকরনঃ মূলা – ২ টি, গাজর – ২ টি, পিয়াজ – ২ টি, ধনিয়া পাতা- পরিমান মত, কাঁচা মরিচ – ৫ টি, লেবুর রস – ২ চা চামচ, লবণ ও সরিষার তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে মূলা ও গাজরের খোসা ছুলে ভাল করে ধুয়ে নিন। তারপর গোল গোল করে কেটে আবার মাঝখান থেকে একবার কেটে নিন। এবার ধনিয়া পাতা, কাঁচা মরিচ, ...

শালগম ও কাঁচা পেঁপের সালাদ

শালগম ও কাঁচা পেঁপে অনেক উপকারি একটি সবজি। এই সালাদটি ভাতের সাথে ছাড়াও বিকেলের নাস্তা হিসেবে পরিবেশন করতে পারেন। মজদার ও ভিন্ন স্বাদের এই সালাদ শীতের দিন খেতেই বেশি ভাল লাগে। উপকরনঃ শালগম – ১ টি, কাঁচা পেঁপে – অর্ধেক, কাঁচা মরিচ – ৩/৪ টি, পিয়াজ- ২ টি, লবণ ও আমের আচারের তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে শালগম ও পেঁপে ছুলে ধুয়ে নিন। তারপর ভাজি কাটার কুড়িনী মেশিন দিয়ে কুড়ে নিন। এবার কাঁচা মরিচ ও পিয়াজ ধুয়ে কুচি করে কেটে নিন। এরপর লবণ ও আমের আচারের তেল দিয়ে মাখিয়ে ছোট বড় সবার জন্য পরিবেশন করুন।

শসার মচমচে সালাদ

সালাদ ভাতের সাথে ছাড়াও আপনি যে কোন সময়ে নাস্তা হিসেবেও খেতে পারেন। বিশেষ করে বিকেলের নাস্তায় মচমচে ও মজাদার সালাদ পরিবেশন করতে পারেন। উপকরনঃ শসা – ১ টি, টমেটো – ৪ টি, বম্বে চানাচুর – ২৫০ গ্রাম, পিয়াজ কুচি – ২ টা, কাঁচা মরিচ – ৪ টি, লবণ ও খাঁটি সরিষার তেল। প্রনালীঃ প্রথমে শসা ও টমেটো পরিষ্কার করে ধুয়ে বিচি গুলো বের করে ফেলে দিন। তারপর শসা ও টমেটো কুচি কুচি করে কেটে চানাচুর, কাঁচা মরিচ, পিয়াজ, লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন। এই সালাদ বানানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করুন নইলে চানাচুর নরম হয়ে গেলে মচমচা ভাবটা আর থাকবে না।

টমেটো ও শসা সালাদ

টমেটো ও শসা সারা বছর বাজারে পাওয়া গেলেও মৌসুম ফল ছাড়া খেতে মজা লাগে না। ভাতের সাথে সালাদ না থাকলে পরিবেশনটা কেমন জানি খালি খালি মনে হয়। যদি দুপুরে বা রাতে গরম ভাতের সাথে টমেটো ও শসার সালাদ থাকে তাহলে কিন্তু মন্দ হয় না। টমেটো ও শসা আলাদা আলাদা করে সালাদ করতে পারেন আবার এক সাথেও কেটে পরিবেশন করতে পারেন। উপকরনঃ টমেটো - ৫ টি, শসা -২ টি, কাঁচা মরিচ কুচি- ৫ টি, পেঁয়াজ কুচি – ১ টি, লবণ ও সরিষার তেল পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে টমেটো ও শসা পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। তারপর শসার খোসা ছাড়িয়ে মোটা ভাজির মত করে কাটুন। এবার কাঁচা মরিচ, পিয়াজ, লবণ...